অব্যবহার্য সমস্ত ফ্লাড শেল্টার ও কৃষক বাজার গুলোতে করোনা আক্রান্তদের রাখার জন্য সেফ হাউস তৈরি করার দাবী তুলল বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থ্যা। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক গিরিশচন্দ্র বেরার কাছে এই দাবী জানিয়েছেন তারা। জানা গিয়েছে আলিপুরদুয়ার শহর সহ জেলার বিভিন্ন জায়গায় ফ্লাড শেল্টার তৈরি করা রয়েছে। বন্যার সময় নিচু এলাকার মানুষদের ঐ ফ্লাড শেল্টার গুলোতে রাখার জন্য সেগুলো তৈরি করা হয়েছে।
কিন্তু জেলার বেশিরভাগ ফ্লাড শেল্টার কার্যত কোনো কাজে ব্যবহার হয় না। এইসব ফ্লাড শেল্টারগুলো ফাঁকাই পড়ে রয়েছে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন জায়গায় পাকা কৃষক বাজার তৈরি করা হয়েছে। সেই কৃষক বাজারে বিভিন্ন দোকান ঘর রয়েছে। আর করোনা অতিমারির এই সময়ে সরকারি সেইসব ফ্লাড শেল্টার ও কৃষকবাজার গুলোকে সেফ হাউসে রূপান্তরিত করার দাবী উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে আলিপুরদুয়ার জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক গিরিশচন্দ্র বেরা বলেন, " সেফ হাউসের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা সেফ হাউসের সংখ্যা বাড়াচ্ছি।
সেফ হাউস নিয়ে এখনো কোনোরকম ক্রাইসিস তৈরি হয় নি। দরকার হলে আমরা বিভিন্ন জায়গায় সেফ হাউস খুলব। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্ণধার দীপঙ্কর রায় বলেন, "এলাকায় এলাকায় প্রচুর মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়ে বাড়িতেই থাকছেন। অনেকের বাড়িতেই আলাদা থাকা খাওয়া ও শৌচালয়ের ব্যবস্থা নেই।
কিন্তু তবুও তারা দূরে সেফ হাউস বা হাসপাতালে যাচ্ছেন না। তারা জোর করে বাড়িতেই থাকছেন। এলাকার এলাকার সব ফ্লাড শেল্টারগুলো সেফ হাউসে রূপান্তরিত হলে করোনা আক্রান্ত রোগীরা সেই সব সেফ হাউসে নির্দ্বিধায় থাকতে পারবেন। এতে সংক্রমণে কম ছড়াবে। সেই কারনে জেলা স্বাস্থ্য দফতরে ফ্লাড শেল্টার ও কৃষি বাজারগুলোকে সেফ হাউসে রূপান্তরিত করার দাবি জানিয়েছি।"

No comments:
Post a Comment