সরকারি জমির বেআইনি দখলদারদের ফের হুঁশিয়ারি গৌতম দেবের - Breaking Bangla |breakingbangla.com | Only breaking | Breaking Bengali News Portal From Kolkata |

Breaking

Post Top Ad

Friday, 14 May 2021

সরকারি জমির বেআইনি দখলদারদের ফের হুঁশিয়ারি গৌতম দেবের

  


 সরকারি জমির বেআইনি দখলদারদের ফের হুঁশিয়ারি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা পুর প্রশাসক গৌতম দেবের।সোমবার শিলিগুড়ি ডাম্পিং গ্রাউন্ড এর রাজ্যের বরাদ্দকৃত অর্থে বর্জ্য পুনঃনবিকরনের বৈজ্ঞানিকিকরনের পুরনিগমের প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে যান নয়া পুর প্রশাসক বোর্ডের চেয়ারম্যান গৌতম দেব। এদিন সেখানে গিয়ে ডাম্পিং গ্রাউন্ড এলাকায় সরকারি জমি দখল করে একাধিক দোকানপাট চোখে পড়তেই সরব হন পুর প্রশাসক গৌতম দেব।


 তিনি সংবাদমাধ্যমের সম্মুখে বেআইনি জবরদখলদারেদের কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন এই এলাকার সম্পূর্ণ জমি আমি সার্ভেতে দিচ্ছি। আমাদের এখানকার সরকারি বহু জমি দখল হয়ে গিয়েছে। বেআইনী ভাবে জবর দখল করে কিছু লোক ব্যবসা করে মুনাফা তুলছে। সরকারি জমিতে জবর দখল করে মুনাফা আদায় চলবে না। বেআইনি দখল দারদের সরে যেতে হবে নইলে বাজার দরে টাকা দিতে হবে সাফ দখলদারদের বিরুদ্ধে সতর্কধ্বনি নব নিযুক্ত পুর প্রশাসক গৌতম দেবের। 


একই সঙ্গে ডাম্পিং গ্রাউন্ড বৈজ্ঞানিকরনে  অশোক ভট্টাচার্য্য পরিচালিত বাম বোর্ডের দূরদর্শীতার অভাব ও অযত্নে আবর্জনা নিষ্কাষনের কাজে রাজ্যের দেওয়া উন্নত মানের গাড়িগুলিকে  ফেলে রেখে নষ্ট করার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন পুর প্রশাসক গৌতম দেব। তিনি বলেন ২০১৫সালে পুরনিগমে তৃনমূল ও কংগ্রেসের বোর্ড থাকাকালীন ৯কোটি থাকা খরচ করে একাধিক বর্জ্য নিষ্কাষনের উন্নতমানের গাড়িগুলি নেওয়া হয়েছিল। সেগুলি কোনোরকম ছাউনি ছাড়া ঝড় বৃষ্টিতে খোলা আকাশের নিচে ফেলে রাখা হয়েছে যথেচ্ছভাবে। অযত্নে গাড়ি গুলিকে নিয়মিত সারাই, রঙ কিছুই করা হয়নি। 


তিনি ক্ষুদ্ধ হয়ে বলেন আমি খোলাখুলি বলছি পূর্বতন বোর্ডের দৃষ্টিভঙ্গি কি ছিল আমি জানিনা। এভাবে থাকায় গাড়িগুলো যান্ত্রিক ভাবে খারাপ হয়ে পড়ছে। তবে এই সমস্ত গাড়ি র পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও ৫০%গাড়ি আনা হবে সে সমস্তটা যাতে একটি শেডের নীচে রাখা যায় তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই সব গাড়িগুলোকে রঙ ও সারাই করে তোলা হবে। একইসঙ্গে তিনি বলেন ডাম্পিং গ্রাউন্ড বৈজ্ঞানিকরনের কাজটি তিনটি পর্যায়ে হবে। কাজের নিযুক্ত কর্মীদের বলা হয়েছে যাতে প্ৰথম ও তৃতীয় পর্যায়ের কাজ একসঙ্গে হয়। এতে দ্রুত কাজটা শেষ করা সম্ভব হবে। কর্মীদের জন্য আবাসনের পাশাপাশি পেছনের অংশে একটি গেস্ট রুম তৈরি করা হবে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad