সমাজে পরিবর্তনের কথা যতই বলা হোক না কেন, কিন্তু গোঁড়া ঐতিহ্যের শিকড় এখনও অনেক গভীরে। যা ছত্তিশগড়ের রাজনন্দগাঁওয়ের সীতাগাঁওয়ে গিয়ে এটা দেখা ও বোঝা যায়, যেখানে নারী ও তরুণীদের তাদের মাসিকের সময় তিন থেকে পাঁচ দিন কাটাতে হয় একটি কুঁড়েঘরে। এই কুঁড়েঘরটি নোংরা এবং দুর্গন্ধে ভরা।
রাজনন্দগাঁও জেলা সদর থেকে সীতাগাঁও প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এই গ্রামে অনেক মাজরা-টোলা আছে। এসব মাজরা-টোলায় অধিকাংশ আদিবাসীদের বসবাস। এই লোকেরা এখনও তাদের পুরানো ঐতিহ্য এবং রীতিনীতিতে লেগে আছে। এখানকার প্রথা যে ঋতুস্রাবের সময় নারী ও যুবতীদের ঘরের বাইরে কুঁড়েঘরে থাকতে হয়।
গ্রামের এক মহিলা কৌশল্যা বলেন, “ঋতুস্রাবের সময় মহিলাদের ও মেয়েদের কুঁড়েঘরে রাখার প্রথা রয়েছে, যা বহু বছর ধরে চলে আসছে। যার ঋতুস্রাব হয় তাকেই কুঁড়েঘরে রাখা হয়। গ্রামের মানুষ নিজেই বিশ্বাস করে যে এই কুঁড়েঘরে না আছে স্যানিটেশন ব্যবস্থা, না আছে সেদিকে কারো নজর। এ কারণেই ঋতুস্রাবের তিন থেকে পাঁচ দিন এখানে নারী ও মেয়েরা নির্যাতনের শিকার হয়। কুঁড়েঘরটি নোংরা ও দুর্গন্ধে ভরা। যে মহিলা এখানে তিন থেকে পাঁচ দিন কাটান তারও অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
No comments:
Post a Comment